বৃহস্পতিবার, ২০২৬ সেপ্টেম্বর ১০ | ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Crime24TV Logo
আর্কাইভ বাংলা কনভার্টার
Crime24TV Logo
Logo
Logo

ক্রাইম ২৪ প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ সংবাদ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং নগরজীবনের অজানা তথ্য পাঠকের সামনে তুলে ধরে।

সম্পাদক: তাওহিদ হোসেন মিঠু

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:

মসজিদ মার্কেট (২য় তলা),
ছোটরা, কুমিল্লা-৩৫০০।

02334400099, 02334404652
০১৭২৬০১২০০৭ 
০১৭১১৩৮৮১৫৫

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন
🔴 সর্বশেষ:
রুমিন ফারহানা আপার মধ্যে শেখ হাসিনার ছায়া দেখা যায়: রাশেদ খাঁন সরকারও আশির দশকে ফিরে যেতে চাইছে: নাহিদ ইসলাম পাড়ার মানুষের গোপন কথা বিক্রি করে দুই বাড়ির মালিক হলেন নারী ভাইভায় নম্বর বাড়ানো নিয়ে সরকারকে সতর্ক করলেন নাহিদ ইসলাম কাতারপ্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা অস্ট্রেলিয়ায় ডেপুটি মেয়র হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এলিজা রহমান চার মাসে কুরআনের হাফেজ ৮ বছরের সাজিদ ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ পুলিশ সদস্য আটক ঢাকা উত্তরে মেয়র পদে আসিফ মাহমুদ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বাড়ির সামনে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা তিন ছাত্রকে বলাৎকার, মাদরাসা শিক্ষকের কক্ষে মিলল উত্তেজক ওষুধ ভারতে বিষাক্ত মদপানে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু স্বামীকে জিম্মি করে স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৬ ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা বিদ্যুৎমন্ত্রী বিদ্যুতের পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে ICU-তে চলে গেছেন মাশাআল্লাহ : কুমিল্লায় আসিফ মাহমুদ হারপিক নিয়ে আসেন, আমি বাথরুম ক্লিন করব: কুমিল্লা মেডিকেলে কৃষিমন্ত্রী ক্যান্সারে আক্রান্ত যুবদল নেতার পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী ২০২৫ সালের তুলনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাল জন্মসনদে আসামির জামিন ও নথি গায়েবে ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ
প্রতিবেদক - | বৃহস্পতিবার, ২০২৬ সেপ্টেম্বর ১০, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
পাড়ার মানুষের গোপন কথা বিক্রি করে দুই বাড়ির মালিক হলেন নারী
পাড়ার মানুষের গোপন কথা বিক্রি করে দুই বাড়ির মালিক হলেন নারী

পাড়ার মানুষের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহল অনেকেরই থাকে। তবে সেই কৌতূহল মেটাতে প্রতিবেশীদের সম্পর্ক, ঝগড়া কিংবা গোপন কর্মকাণ্ডের খবর সংগ্রহ করে অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করার পেশা বানিয়ে ফেলেছেন কলম্বিয়ার ৬৭ বছর বয়সী এক নারী। তার দাবি, এই অদ্ভুত ব্যবসা থেকে আয় করে তিনি দুটি বাড়িও কিনেছেন।

গালফ টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিরিয়ামের বাড়ি কলম্বিয়ার কুইন্দিও বিভাগের আর্মেনিয়া শহরে। কনটেন্ট নির্মাতা লেডি দানিয়েলার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে নিজের পেশা সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। সেখানে নিজেকে পেশাদার ‘চিসমোসা হিসেবে পরিচয় দিয়ে মিরিয়াম বলেন, ‘আমি গসিপ ভালোবাসি। স্প্যানিশ ভাষায় ‘চিসমোসা বলতে গসিপপ্রিয় বা পরচর্চাকারী নারীকে বোঝায়।

আশপাশে কী ঘটছে, কে কার সঙ্গে সম্পর্কে জড়াচ্ছেন, কার সংসারে সমস্যা চলছে কিংবা প্রতিবেশীদের মধ্যে কোথায় ঝগড়া হচ্ছেএসব বিষয়ে নজর রাখেন মিরিয়াম। পরে এসব তথ্য আগ্রহী ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করেন তিনি।

প্রতিবেশীদের সম্পর্কে ছোটখাটো তথ্যের জন্য কয়েক হাজার কলম্বিয়ান পেসো নেন মিরিয়াম। তবে কোনো খবর সংবেদনশীল কিংবা বিস্তারিত হলে তার দামও বেড়ে যায়। তিনি জানান, একবার এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ভ্রমণে গেলে তার পরকীয়ার বিষয়টি গোপন রাখার বিনিময়ে তাকে ৭ লাখ কলম্বিয়ান পেসো দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

মিরিয়ামের দাবি, এই কাজের ক্ষেত্রে তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা। বাড়ির বাইরে সময় কাটানোর সময় তিনি আশপাশের মানুষের কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করেন এবং তাদের কথাবার্তাও শোনেন। তথ্য ভুলে না যাওয়ার জন্য সঙ্গে একটি নোটবুক রাখেন তিনি। তার মতে, এতে বিভিন্ন ঘটনার বিবরণ নির্ভুলভাবে মনে রাখা যায় এবং ক্রেতাদের কাছে দেওয়া তথ্যের পক্ষে প্রমাণ দেখানোও সহজ হয়।

সাক্ষাৎকারের সময় নিজের বাড়ির একটি বোর্ডও দেখান মিরিয়াম। সেখানে প্রতিবেশীদের ছবি এবং তাদের সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য লেখা রয়েছে। কিছু ছবিতে পরকীয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃশ্য রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তার কাছে এসব ছবি ও তথ্য পাড়ার বিভিন্ন ঘটনার একটি ব্যক্তিগত আর্কাইভের মতো।

মিরিয়াম জানান, গসিপ বিক্রির এই ব্যবসা থেকে আয় করে তিনি শুধু দৈনন্দিন খরচই চালান না, দুটি বাড়িও কিনতে সক্ষম হয়েছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি একটি বড় মাটির ব্যাংকও দেখান, যেখানে কয়েন ও কাগজের নোট রাখা ছিল। তার দাবি, গসিপ বিক্রি করে সাধারণত যে অর্থ আয় করেন, সেগুলোই সেখানে জমা করেন।

নিজের কাজের বিষয়ে বেশ সিরিয়াস মিরিয়াম। তার দাবি, প্রমাণ ছাড়া তিনি কোনো তথ্য ছড়ান না। পাড়ায় প্রায় সবকিছু সম্পর্কে জানেনএমন পরিচিতির কারণে তার ডাকনাম হয়েছে ‘গসিপের রানি। নিজের কাজ নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘গসিপই আমার জীবন, এটা আমার রক্তে মিশে আছে।

তবে মিরিয়ামের এই কর্মকাণ্ডে সবাই যে সন্তুষ্ট, তা নয়। কয়েকজন প্রতিবেশী তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন। তাদের আপত্তি সত্ত্বেও মিরিয়ামের দাবি, যারা একসময় তার কাজের সমালোচনা করতেন, তারাই পরে আশপাশে কী ঘটছে জানার কৌতূহল থেকে আবার তার কাছে ফিরে আসেন।

মিরিয়াম আরও জানান, অন্য কয়েকজনও তার এই ব্যবসার ধরন অনুসরণ করার চেষ্টা করছেন। তবে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং মানুষের কর্মকাণ্ড ও কথাবার্তা থেকে তথ্য সংগ্রহের দক্ষতার কারণে নিজের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি।

মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * চিহ্নিত।