শুক্রবার, ২০২৬ অক্টোবর ৩০ | ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Crime24TV Logo
আর্কাইভ বাংলা কনভার্টার
Crime24TV Logo
Logo
Logo

ক্রাইম ২৪ প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ সংবাদ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং নগরজীবনের অজানা তথ্য পাঠকের সামনে তুলে ধরে।

সম্পাদক: তাওহিদ হোসেন মিঠু

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:

মসজিদ মার্কেট (২য় তলা),
ছোটরা, কুমিল্লা-৩৫০০।

02334400099, 02334404652
০১৭২৬০১২০০৭ 
০১৭১১৩৮৮১৫৫

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন
🔴 সর্বশেষ:
২৬০ টাকার লটারিতে ৬৫ লাখের গাড়ি জিতল শিশু জাতীয় বিড়াল দিবস আজ প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক, পদ হারালেন জামায়াত নেতা বাংলাদেশিদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া, প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ কিশোরীকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ ৩৯৬টি কবর খুঁড়ে চিরবিদায় নিলেন হাফেজ শিকদার, অপূর্ণ রয়ে গেল ৪০০ ছোঁয়ার ইচ্ছা এতিমখানার ইলিশ ভাগাভাগি করে নিলেন মাদ্রাসা শিক্ষক কুমিল্লা কান্দিরপাড় ভিক্টোরিয়া কলেজের পেছনের গলিতে ছিনতাই কুমিল্লায় ৫ লাখ টাকার পণ্যের কার্টনে মিলল ইট ও বাঁশ ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল বাবার শিশুর হাত-মুখ চেপে দোকানে নিয়ে যান ইয়াসিন, ধর্ষণের পর দিলেন ২০ টাকা ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করলেন অভিনেতা শিমুল জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৬০০ ছাত্রীকে সাইকেল উপহার ৩ মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীর মাকে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার এক মাকে কুপিয়ে হত্যা, মেয়ে আটক বিরোধীদলে থাকতেই কবর দিতে বাধা, রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে কী করবেন: তাসনিম জারা সাঈদীর মামলার বাদীর দাফনে আসেনি কেউ, কবর খুঁড়েন স্ত্রী-মেয়ে-বোন শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মসজিদের ইমামের যাবজ্জীবন অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে সত্য আড়াল করলে মাদ্রাসার চূড়ান্ত ক্ষতি হবে: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘মাদরাসায় শারীরিক শাস্তি বা অনুপযুক্ত স্পর্শ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’
প্রতিবেদক - | সোমবার, ২০২৬ অক্টোবর ২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল বাবার
ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল বাবার

পারিবারিক কলহের জেরে গভীর রাতে মাদকাসক্ত অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করছিলেন ছেলে আনোয়ার হোসেন। সেই ঝগড়া থামাতে গিয়েছিলেন বাবা আব্দুস ছামাদ মিয়া। একপর্যায়ে ছেলের দৌড়ানির পর লাঠির আঘাতে প্রাণ চলে যায় ওই হতভাগা বাবার। মর্মান্তিক ওই ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সাইটালিয়া গ্রামে।

সোমবার ভোর রাত সোয়া ৩টার দিকে ওই গ্রামের বন্না ভিটায় এলাকায় ওই মারামারির ঘটনা ঘটে।  পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান বাবা।

নিহত মো: আব্দুস সামাদ (৬০) ওই গ্রামের ডাক্তার মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন (৩৫) তার ছেলে। এর আগে ভোর সাড়ে ৩টার দিকে আনোয়ার হাসেন তার বাবাকে আঘাত করে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যান। 

নিহতের স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,' দীর্ঘ ১৮বছর সৌদি প্রবাস জীবন শেষে দেশে এসে পিকআপ কিনে চালাতেন আব্দুস ছামাদ। বেশ কিছুদিন আগে একমাত্র ছেলে আনোয়ার হোসেন মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন। মাদকাসক্তি থেকে ছেলেকে ফেরাতে নানা চেষ্টা করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁকে পাঠানো হয়েছিল সৌদি আরবে। দুবার নেওয়া হয়েছিল মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে। এমনকি তাবলিগ জামাতেও পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু কোনো কিছুতেই নেশা ছাড়েননি আনোয়ার হোসেন। তিন বছর আগে মায়ের হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

স্বজনদের ভাষ্য, রাত তিনটার দিকে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়ায় জড়ান আনোয়ার। তাঁদের ঝগড়া থামাতে এগিয়ে যান বাবা আব্দুস সামাদ। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাবার দিকে তেড়ে যান আনোয়ার। ভয়ে আব্দুস সামাদ দৌড়ে পাশের বাড়ির বাসিন্দা মো. শহীদের বাড়িতে আশ্রয় নিতে যান। কিন্তু সেখানেও গিয়ে বাবার ওপর হামলা চালান আনোয়ার। লাঠি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাতে গুরুতর আহত হন আব্দুস সামাদ। পরে স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান আব্দুস ছামাদ।

স্বজনেরা আরো জানান, আনোয়ার কোনো কাজ করতেন না। তাঁকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু দেড় মাসের মধ্যেই সেখান থেকে দেশে ফিরে আসেন তিনি। তার তিন সন্তান আছে। সন্তানদের লালনপালন করতেন নিহত আব্দুস সামাদ।

স্থানীয় বাসিন্দা আল আমিন বলেন, 'আব্দুস সামাদ দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা দিয়ে একপর্যায়ে আনোয়ার নেশায় জড়িয়ে পড়েন। দেশে এসে অনেক চেষ্টা করেছেন ছেলেটাকে স্বাভাবিক জীবনে আনতে। কিন্তু অবশেষে সেই ছেলের হাতেই তাকে জীবন দিতে হলো।'

শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা: বিজন মালাকার বলেন,' রাতে ওই নামে এমন কোনো রোগী হাসপাতালে আনা হয়নি। আসলে অবশ্যই পুলিশকে জানানো হতো।'

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম যায়যায়দিনকে বলেন,'খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে  আনোয়ার হোসেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। এ ঘটনায় মামলা হবে।'

মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * চিহ্নিত।