রবিবার, ২০২৬ জানুয়ারী ১৮ | ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
Crime24TV Logo Crime24TV Logo
আর্কাইভ বাংলা কনভার্টার
Crime24TV Logo
Logo
Crime24TV Logo

ক্রাইম ২৪ প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ সংবাদ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং নগরজীবনের অজানা তথ্য পাঠকের সামনে তুলে ধরে।

সম্পাদক: তাওহিদ হোসেন মিঠু

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:

মসজিদ মার্কেট (২য় তলা),
ছোটরা, কুমিল্লা-৩৫০০।

02334400099, 02334404652
০১৭২৬০১২০০৭ 
০১৭১১৩৮৮১৫৫

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন
🔴 সর্বশেষ:
কৌশলের নামে গুপ্ত কিংবা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপির কর্মীরা: তারেক রহমান দুই বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে আহত করার মামলায় জামায়াতের এক নেতা আটক ভর্তি তালিকায় মুসলিম শিক্ষার্থীর আধিক্য, কাশ্মীরে কলেজ বন্ধের সিদ্ধান্ত জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা ২ লাখ ২১ হাজার কেজি স্বর্ণ উত্তোলন করল সৌদি আরব গাড়ির নিচে চাপা পড়ল ছাত্র, নিথর দেহ পাশে রেখেই মাছ লুটে ব্যস্ত জনতা ২১ দিন মা-মেয়ের লাশের সঙ্গে বসবাস দরজার ফাঁক থেকে দেখা মিলল লোমহর্ষক দৃশ্য অজ্ঞান পার্টির ডিম খেয়ে টাকা-মোবাইল খোয়ালেন এমপি প্রার্থী দেশকে ভালো রাখতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার অস্তিত্বকে ধারণ করতে হবে: আসিফ নজরুল গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলেই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে জনগণ: শফিকুল আলম কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে ৭৬ লাখ টাকার অবৈধ ভারতীয় বাজি উদ্ধার বিপিএলের খেলা না হওয়ায় স্টেডিয়ামে ভাঙচুর অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত বিপিএল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ বরিশালে দায়ের কোপে বিড়ালের পা ভাঙার অভিযোগ, এক নারীর বিরুদ্ধে মামলা চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ডিজিটাল উদ্যোগ, ‘চাঁদাবাজ ডটকম’ ওয়েবসাইট চালুর ঘোষণা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ - ⁠অধ্যাপক আলী রীয়াজ
প্রতিবেদক - | সোমবার, ২০২৫ ডিসেম্বর ০৮, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
মরদেহ দেখতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন ৩ ভাই
মরদেহ দেখতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন ৩ ভাই

তিনটি কবর খোঁড়া হয়েছিলো পাশাপাশি। প্রথমে নামানো হয় সুমন মণ্ডলের মরদেহটি (২৫) পরে তাঁর ছোট ভাই রিমন মণ্ডলের (১৪) লাশ নামানো হয়। সর্বশেষ নামানো হয় চাচাতো ভাই আশিক মোল্লার (২২) মরদেহ।

 এই হৃদয়বিদারক দৃশ্যটি রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে দেখা যায় কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে। উপজেলার সদকী ইউনিয়নের দুধরাজপুর-মহম্মদপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তিন ভাইয়ের দাফনের সময় স্বজনের কান্না-আহাজারিতে শোকাহত হয়ে পড়েন কয়েকটি গ্রামের মানুষ।

আগের রাতে তিনজনের মৃত্যু হয় ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনায়। সুমন রিমন বোনের শাশুড়ির জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য ঢাকা থেকে ফিরছিলেন চাচাতো ভাই আশিকের মোটরসাইকেলে করে। শনিবার রাত একটার দিকে ফরিদপুর-ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কের হামিরদী ইউনিয়নের মাধবপুর কবরস্থানের সামনে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন।

সুমন রিমন মহম্মদপুর গ্রামের কৃষক করিম মণ্ডলের ছেলে। করিম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘বোনের শাশুড়ির মরদেত দেখতে এক মোটরসাইকেলে আসতেছিল ওরা। রাস্তা খুব ভাঙা ছিল। পথে তিনজনই গাড়ি থেকে রাস্তায় পড়ে যায়। তখন আরেকটা গাড়ি এসে ওদের চাপা দিলে তারা মারা যায়। আমাদের কোনো অভিযোগ নেই। কোনো মামলা করা হবে না।

একই গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা আক্কাস আলীর (৮৫) ভাষ্য, একসঙ্গে এতো লাশ দাফনের ঘটনা দেখেননি। সবাই সবাই মর্মাহত। গ্রামে শোকের মাতম চলছে।

সুমন ঢাকায় আসবাবপত্র তৈরির কারিগর হিসেবে কাজ করেন। তাঁর সঙ্গে থেকে কাজ শিখছিলো ছোট ভাই রিমন। সুমনের বাবা করিম মণ্ডলের চাচাতো ভাই শাহিন মোল্লার ছেলে আশিক মোল্লা। ঢাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির পাশাপাশি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন তিনি। সুমনের বোন শেফালির শাশুড়ি শনিবার মারা যান। তাঁর জানাজায় অংশ নিতে আসার পথেই দুর্ঘটনা কেড়ে নেয় তাদের প্রাণ।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি হেলাল উদ্দিনের ভাষ্য, পুলিশ কোন যানবাহনের ধাক্কায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা শনাক্তে কাজ করছে। রোববার সকালে তিনজনের মরদেহ স্বজনের কাছে বুঝিয়ে দেন। ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

রোববার ভোরের আলো ফোটার আগেই একাধিক মসজিদের মাইকে মহম্মদপুর গ্রামের তিন কিশোর-যুবকের মৃত্যুর সংবাদ প্রচারিত হয়। এতে গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিহত তিনজনের বাড়ির পথে শোকার্ত মানুষের ঢল নামে। বেলা সোয়া ১২টার দিকে ফরিদপুর থেকে লাশবাহী গাড়ি এসে পৌঁছায় মহম্মদপুরে। সন্তানহারা মা স্বজনের আর্তনাদে ভারী হয়ে ওঠে আকাশ।

আশিকের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ মানুষের ভিড় দেখা গেছে। সেখানে আহাজারি করছিলেন মা শিউলি খাতুন, বোনসহ অন্য স্বজনরা। শিউলি খাতুন বিলাপ করতে করতে বলেন, ‘আমি কি জানি বেটা ওর সাথেই আসতেছে গো? আমি কিছুই জানিনে গো! ওরে সোনা, কিছুই বলে গেলো না গো।

তিনটি কবর খোঁড়া হয়েছিলো পাশাপাশি। প্রথমে নামানো হয় সুমন মণ্ডলের মরদেহটি (২৫) পরে তাঁর ছোট ভাই রিমন মণ্ডলের (১৪) লাশ নামানো হয়। সর্বশেষ নামানো হয় চাচাতো ভাই আশিক মোল্লার (২২) মরদেহ।

 এই হৃদয়বিদারক দৃশ্যটি রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে দেখা যায় কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে। উপজেলার সদকী ইউনিয়নের দুধরাজপুর-মহম্মদপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তিন ভাইয়ের দাফনের সময় স্বজনের কান্না-আহাজারিতে শোকাহত হয়ে পড়েন কয়েকটি গ্রামের মানুষ।

আগের রাতে তিনজনের মৃত্যু হয় ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনায়। সুমন রিমন বোনের শাশুড়ির জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য ঢাকা থেকে ফিরছিলেন চাচাতো ভাই আশিকের মোটরসাইকেলে করে। শনিবার রাত একটার দিকে ফরিদপুর-ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কের হামিরদী ইউনিয়নের মাধবপুর কবরস্থানের সামনে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন।

সুমন রিমন মহম্মদপুর গ্রামের কৃষক করিম মণ্ডলের ছেলে। করিম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘বোনের শাশুড়ির মরদেত দেখতে এক মোটরসাইকেলে আসতেছিল ওরা। রাস্তা খুব ভাঙা ছিল। পথে তিনজনই গাড়ি থেকে রাস্তায় পড়ে যায়। তখন আরেকটা গাড়ি এসে ওদের চাপা দিলে তারা মারা যায়। আমাদের কোনো অভিযোগ নেই। কোনো মামলা করা হবে না।

একই গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা আক্কাস আলীর (৮৫) ভাষ্য, একসঙ্গে এতো লাশ দাফনের ঘটনা দেখেননি। সবাই সবাই মর্মাহত। গ্রামে শোকের মাতম চলছে।

সুমন ঢাকায় আসবাবপত্র তৈরির কারিগর হিসেবে কাজ করেন। তাঁর সঙ্গে থেকে কাজ শিখছিলো ছোট ভাই রিমন। সুমনের বাবা করিম মণ্ডলের চাচাতো ভাই শাহিন মোল্লার ছেলে আশিক মোল্লা। ঢাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির পাশাপাশি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন তিনি। সুমনের বোন শেফালির শাশুড়ি শনিবার মারা যান। তাঁর জানাজায় অংশ নিতে আসার পথেই দুর্ঘটনা কেড়ে নেয় তাদের প্রাণ।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি হেলাল উদ্দিনের ভাষ্য, পুলিশ কোন যানবাহনের ধাক্কায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা শনাক্তে কাজ করছে। রোববার সকালে তিনজনের মরদেহ স্বজনের কাছে বুঝিয়ে দেন। ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

রোববার ভোরের আলো ফোটার আগেই একাধিক মসজিদের মাইকে মহম্মদপুর গ্রামের তিন কিশোর-যুবকের মৃত্যুর সংবাদ প্রচারিত হয়। এতে গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিহত তিনজনের বাড়ির পথে শোকার্ত মানুষের ঢল নামে। বেলা সোয়া ১২টার দিকে ফরিদপুর থেকে লাশবাহী গাড়ি এসে পৌঁছায় মহম্মদপুরে। সন্তানহারা মা স্বজনের আর্তনাদে ভারী হয়ে ওঠে আকাশ।

আশিকের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ মানুষের ভিড় দেখা গেছে। সেখানে আহাজারি করছিলেন মা শিউলি খাতুন, বোনসহ অন্য স্বজনরা। শিউলি খাতুন বিলাপ করতে করতে বলেন, ‘আমি কি জানি বেটা ওর সাথেই আসতেছে গো? আমি কিছুই জানিনে গো! ওরে সোনা, কিছুই বলে গেলো না গো।

মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * চিহ্নিত।